Tips Bangladesh

It's Bengali version Popular Tips And Tricks Website

Showing posts with label ক্যারিয়ার. Show all posts
Showing posts with label ক্যারিয়ার. Show all posts

Sep 30, 2017


অনলাইনে কাজের ক্ষেত্র অনেক ব্যাপক ও অত্যন্ত লাভজনক। নিম্নে এ রকম ১৫টি পেশার উল্লেখ করা হলো:
১) Virtual Assistant: দাপ্তরিক ক্ষেত্রে ইমেইল, ফোন/ভিডিওতে কথোপকথন বা কোন বিষয়ে তথ্য আদান প্রদানে আজকাল ব্যাপক ভাবে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্টদের ব্যবহার করা হচ্ছে। আপনি চাইলে এ পেশার সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারেন।
২) Freelance Writer: যেকোনো ওয়েবসাইটের আলোচ্য বিষয়, অনলাইন পুস্তক বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত চিটি লিখার কাজ আপনি স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
৩) Tutor: অনলাইনে আপনি ছাত্রদের পড়াতে পারেন।
৪) Subscription Box Service: অনলাইনে বিভিন্ন টার্গেট গ্রুপের কাছে আপনি তাদের প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি যেমন: বিউটি প্রোডাক্টস ইত্যাদি কমমূল্যে বিক্রি করে লাভবান হতে পারেন।
৫) Life/Business Coach: মানুষের জীবনের ব্যক্তিগত বিভিন্ন সমস্যা ও ব্যবসায়িক বিষয়ে তাদের পরামর্শ দিতে পারেন।
৬) Medical Transcription: আপনি অনলাইনে চিকিৎসকদের নথি লেখক হিসেবে সনদপ্রাপ্ত হয়ে একজন Medical Transcriptionist হিসেবে কাজ করতে পারেন।
৭) Web Designer: ওয়েব ডিজাইনিংয়ের উপর কোর্স করে আপনি ওয়েভ ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে পারেন।
৮) Travel Consultant: বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে বেড়াতে যাওয়ার জন্য আপনি অনলাইন পরামর্শক হিসেবে কাজ করতে পারেন।
৯) Selling Your Own Stuff: যে সকল দরকারি জিনিষ আপনার আর প্রয়োজন নেই তা অনলাইনে বিক্রি করে দিতে পারেন।
১০) Customer Service Representative: গ্রাহকদের অনলাইনে তথ্য প্রদান ও অভিযোগ গ্রহণ সেবা আপনি দিতে পারেন।
১) Translator: অনুবাদক হিসেবে আপনি কাজ করতে পারেন।
১২) Data Entry Specialist: বিভিন্ন কোম্পানির ডাটাবেসে আপনি তাদের প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংরক্ষণ করার কাজ নিতে পারেন।
১৩) Affiliate Marketer: অনলাইনের মাধ্যমে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রি করে আপনি নিজে লাভবান হতে পারেন।
১৪) App Developer: মোবাইলের অ্যাপ ডেভলাপারদের চাহিদা বর্তমানে অনেক বেশি। আপনি নিজেকে এ পেশার সাথে যুক্ত করতে পারেন।
১৫) Website/App Evaluator: বিভিন্ন ওয়েবসাইটের বা অ্যাপের ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে তা দূর করতে পারেন। এ জন্য আপনি আকর্ষণীয় পারিশ্রমিকও পেতে পারেন।
post collect by YesMedia


অধীনস্থদের কাছ থেকে কাজ যথাযথ ভাবে আদায় করে নেয়া এবং তাদের নিজেদের কাজে সন্তুষ্ট করে রাখতে একটি প্রতিষ্ঠানের বড় কর্তাকে অবশ্যই তার অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে অনুপ্রাণিত করতে হবে। এজন্য নিচে ৫টি উপায় উল্লেখ করা হলো।
১) অনুপ্রেরণাদায়ক কাজের পরিবেশ তৈরি করা:
সর্বপ্রথম এমন একটি কাজের পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যা আপনার অধীনস্থদের কঠোর পরিশ্রম করতে আগ্রহী করবে। সব সময় এমনটি যেন না হয় যে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী একই স্থানে খোলামেলা পরিবেশে একসাথে কাজ করবে; কারণ কাজে মনোযোগ দেয়ার জন্য অনেক সময় একাকীত্ব ও পৃথক কক্ষের প্রয়োজন হয়। এছাড়াও আপনার প্রতিষ্ঠানের আনুষঙ্গিক বিষয়সমূহ যেমন: দেয়ালের রঙ, আসবাবপত্র ইত্যাদিতে দৃষ্টিনন্দন পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে।
অনুপ্রেরণাদায়ক একটি কাজের পরিবেশ তৈরির জন্য আপনাকে আপনার কাজের স্বচ্ছতা যেমন: অধীনস্থদের সাথে আপনার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও প্রত্যাশাগুলো নিয়ে আলোচনা করুন এবং সব সময় তাদের উদাহরণ দেয়ার চেষ্টা করুন।
২) ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানানো:
অধীনস্থদের উৎসাহ প্রদান করতে আপনার প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন উদ্যোক্তা যারা নিজ নিজ ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করেছেন তাদের আমন্ত্রণ করে নিয়ে আসতে পারেন। নিজেকে সফল ব্যক্তি হিসেবে জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে তারা যে সকল উপায় অবলম্বন করেছেন তা আপনার অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেশা জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পাথেয় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের কর্মী হিসেবে তাদের উন্নত করতে আপনি অত্যন্ত কম খরচে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে তাদের উৎসাহ প্রদান করতে পারেন। এক্ষেত্রে কৌশল হিসেবে প্রশিক্ষণের সাথে বিনামূল্যে মধ্যাহ্ন ভোজের ব্যবস্থা করতে পারেন। মনে রাখবেন, এতে আপনার ক্ষতির কোন সম্ভাবনা নেই বরং লাভই বেশী হবে।
৩) অধীনস্থদের সাথে আর্থিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা:
আপনার প্রতিষ্ঠানের মূলধন, বিনিয়োগ, আয়, ব্যয়, লাভ, ক্ষতি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আপনার অধীনস্থদের সাথে খোলামেলা আলোচনা করুন। আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না তাদের উদ্বুদ্ধ করতে এটা কত কার্যকর ভাবে কাজ করতে পারে।
৪) প্রণোদনা (Incentive) দান করুন:
কর্মক্ষেত্রে আপনার অধীনস্থদের উদ্দীপনা সৃষ্টির জন্য আপনি তাদের প্রণোদনা দিতে পারেন। তাদের দক্ষতা ও নিষ্ঠার জন্য পদোন্নতি প্রাপ্তির উপলক্ষে কোন অনুষ্ঠান উদযাপন থেকে শুরু করে এ প্রণোদনা হতে পারে তাদেরকে কেবলমাত্র সাদামাটা ধন্যবাদ বলা পর্যন্ত। আপনি আপনার অধীনস্থদের “মাসের সেরা কর্মকর্তা / কর্মচারী” পুরষ্কার দিতে পারেন। তারা যে প্রশংসার যোগ্য তাদের আপনি সে প্রশংসাই করা উচিৎ।
৫) আপনার অধীনস্থদের সাথে নিয়মিত কথা বলুন:
আপনার অধীনস্থদের বিরক্তি বোধ তাদের অনুপ্রাণিত না হওয়ার পিছনে একটা কারণ হতে পারে। তাই কাজের ক্ষেত্রে তাদের পরামর্শ গ্রহণ করুন, কিভাবে কাজটিকে আরো আকর্ষণীয় করা যায় তা একটু ভেবে দেখুন, আপনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলোকে আরো বাস্তবসম্মত করে তুলন। আপনার প্রতিষ্ঠানের এমন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকা ঠিক হবে না যা বাস্তব সম্মত নয়।
সফলতা মানুষের জীবনের খুবই সূক্ষ্ম একটি বিষয়। জীবনে সফলতা অর্জনের জন্য প্রয়োজন ধৈর্য, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও অন্যদের সাথে স্বচ্ছতা। অনুরূপভাবে মানুষের ব্যর্থতার পিছনেও কিছু কারণ থাকে। কিন্তু মোদ্দা কথা হলো সফলতা ও ব্যর্থতা মানুষের জীবনে তাদের দৃষ্টিভঙ্গিগত কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসে। তাই সফল ও ব্যর্থ ব্যক্তিদের চিন্তাধারা ও কথাবার্তা আপনি কখনও এক রকম দেখবেন না। নিম্নে সে পার্থক্যগুলো তুলে ধরা হলো।
১) সফল ব্যক্তি: অন্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাদের সফলতায় তাদের অভিনন্দন জানান।
ব্যর্থ ব্যক্তি: কোন যুক্তি ছাড়াই অন্যদের সমালোচনা করেন।
২) সফল ব্যক্তি: অন্যদের ক্ষমা করতে জানেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: অন্যদের ক্ষমা না করে নিজের মনে অসন্তোষ ধরে রাখেন।
৩) সফল ব্যক্তি: বর্তমান নিয়ে ভাবেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: অতীত নিয়ে চিন্তা করেন।
৪) সফল ব্যক্তি: ভুল হলে তা স্বীকার করে নেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: ভুল হলে অন্যদের উপর দোষ চাপান।
৫) সফল ব্যক্তি: অন্যদের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: গোপনীয়তা বজায় রাখেন।
৬) সফল ব্যক্তি: ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: নেতিবাচক দৃষ্টি ভঙ্গি লালন করেন।
৭) সফল ব্যক্তি: নতুন নতুন চিন্তা, ধারণা নিয়ে আলাপ করেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: অন্যদের সম্পর্কে অপ্রয়োজনীয় কথা বলেন।
৮) সফল ব্যক্তি: নিজের বিজয় ও সাফল্যে অন্যদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: সমস্ত কৃতিত্ব কেবল নিজের বলে দাবি করেন।
৯) সফল ব্যক্তি: পরিবর্তনের জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: পরিবর্তনকে ভয় পান।
১০) সফল ব্যক্তি: সবার সফলতা কামনা করেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: মনে মনে সবার ব্যর্থতা কামনা করেন।
১১) সফল ব্যক্তি: অন্যের ভালো-মন্দ ভেবে দেখেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: কেবল মাত্র নিজের স্বার্থটাই দেখেন।
১২) সফল ব্যক্তি: নিজের লক্ষ্য-উদ্দেশ্যগুলো নির্ধারণ করে নেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: সব সময় লক্ষ্য-উদ্দেশ্যহীন থাকেন।
১৩) সফল ব্যক্তি: নিজে কি চান তা জানেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: নিজে কি চান তা জানেন না।
১৪) সফল ব্যক্তি: সব সময় শিখার মধ্যে থাকেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: সব কিছুই জানি এমনটি মনে করেন।
১৫) সফল ব্যক্তি: অবসরে বই পড়েন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: অবসরে টিভি দেখেন।
র্তমান সময়ের প্রেক্কাপটে অনলাইন কেন্দ্রিক কাজের সাইটগুলো অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আমাদের আশেপাশে অনেককেই দেখি অনলাইনে কাজ করে তাঁদের ক্যারিয়ার বানিয়ে নিয়েছেন। যেহেতু আমাদের দেশে চাকরি বাজার অনেক প্রতিযোগিতার তাই ভিন্য মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতে চেষ্টা করা অবশ্যই অনেক ভালো। তাছাড়া দেশে থেকে ডলারে উপার্জন অবশ্যই অনুপ্রেরনাদায়ক।
অনলাইন কেন্দ্রিক কাজের জন্য অনেক সাইট রয়েছে। তবে সেগুলোর মাঝে সবচেয়ে বৃহৎ আর জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে Upwork! এখানে আপনি সবরকমের কাজই করতে পারবেন। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, রাইটার, লইয়ার, একাউন্টেন্ট থেকে শুরু করে সব রকমের প্রফেশনেরই কাজ এখানে পাওয়া যায়। তবে আপনাকে সফল হতে হলে অবশ্যই দক্ষতা-সম্পন্য আর অনেক প্রফেশনাল হতে হবে। ভালো যোগাযোগ দক্ষতা আপনাকে খুব সহজেই সফলতা এনে দিতে পারে।
জনপ্রিয়তা আর কাজের ভিত্তিতে এর পরের স্থানেই রয়েছে Freelancer। এই সাইটেও আপনি মোটামুটি সবধরনের কাজই পাবেন। তবে আপনাকে অবশ্যই স্কাম জব পোষ্টগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। তবে এই সাইট Upwork এর মত আপনাকে সুবিধা দিবে না। Upwork-এ আপনি ফ্রি একাউন্ট ব্যবহার করে মাসে ৩০ টি জবে অ্যাপ্লাই করতে পারবেন কিন্তু Freelancer- এ আপনাকে সেই পরিমান অ্যাপ্লাই এর জন্য পেইড মেম্বার হতে হবে।
কাজ পাওয়া আর মূল্যমান হিসেবে তিন নাম্বার স্থানে Guru.com কে রাখা যায়। যদিও এই সাইটটি US কেন্দ্রিক ফ্রিলাঞ্চারদের দখলেই বলা যায় কিন্তু সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে এশিয়ানদের বেশ ভালো করতে দেখা গেছে। এই সাইটে সাধারণত হাই ভ্যালু প্রজেক্ট বেশি পাওয়া যায়। একটু সময় নিয়ে ঠিকমত লেগে থাকতে পারলে অনেক বেশি উপার্জন করা সম্বব।
সুযোগ-সুবিধা আর কাজ পাওয়ার ভিত্তিতে এর পরের স্থানটি peopleperhour কে দিতেই হবে। এই সাইটটি অনেক তাড়াতাড়িই অনেক ভালো পর্যায়ে চলে এসেছে। আপনার যদি ভালো লাগে তবে এখানে চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
আমাদের লিস্টের একদম শেষ পজিশনে toptal কে রাখা যায়। যদিও এই সাইটটি উপরের সাইটগুলো থেকে একেবারেই আলাদা। বরাবরের মত আমরা ফ্রীলাঞ্ছিং সাইট বলতে যা বুজি এটি ঠিক সেই রকম নয়। এখানে কাজ করতে হলে একটা বেশ লম্বা সিলেকশন পর্যায় পার করে যেতে হয়। কেবলমাত্র সিলেকশন পাশ করতে পারলেই আপনাকে তারা সাইটে কাজ করতে অনুমতি দেবে। এই সাইটের প্রায় সবগুলো কাজই অনেক বড় আর সময়সাপেক্ষ। তাই দেখা যায় সবগুলো নিয়োগ হয় ফুল টাইম বেসিস।

বর্তমান সময়ে ফ্রীলান্সিং প্রফেশন হিসেবে সবার কাছে অনেক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আর দিনের পড় দিন এর প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়েই চলেছে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বিশ্বব্যাপী কাজের সুবিধা পেয়ে অনেকেরই ভাগ্য বদলে গিয়েছে। যেহেতু আমাদের নিজেদের চাকরির বাজার অনেক ছোট তাই ফ্রীলান্সিং প্রফেশন একটি অনেক বড় ধরণের সুযোগ হিসেবেই আমাদেরকে বেকারমুক্ত করতে পারে।
আপনি যদি নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারেন তাহলে অনেক ভালো একটা অবস্তায় নিজেকে খুব কম সময়ের মধ্যেই নিয়ে যেতে পারবেন। আপনার দৃঢ় মনোবল, আত্মবিশ্বাস আর ভবিষ্যৎ অর্জনের স্বপ্ন আপনাকে অনেক বড় ধরনের সফলতা এনে দিতে পারে।
জনপ্রিয় বেশ কয়েকটি মার্কেটপ্লেসে (যেখানে ফ্রীলান্সিং কাজ পাওয়া যায়) পরিসংখ্যান করে দেখা গেছে যে, আমাদের দেশ থেকে উল্ল্যেখযোগ্য হারে অনেকেই বেশ ভালো করছেন। এই বিষয়টি আমাদেরকে অবশ্যই ফ্রীলান্সিং এ ভালো কিছু করতে উৎসাহ দিতে পারে। তবে অনেকেই শুধুমাত্র ওইসব সাইটে নিজের একাউন্ট খোলা মাত্রই নিজের ফ্রীলান্সিং ক্যারিয়ার এর ইতি টেনে দিয়েছেন, যার হার একটু বেশি বলা যায়।
আমাদের মনে রাখতে হবে যে, এখানে কাজ পাওয়ার জন্য বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতা করতে হয় এবং তা পদ্ধতিগত ভাবে একটু কঠিন। শুধুমাত্র পর্যাপ্ত দক্ষতা, টেকনিক, কমন সেন্স এইসব বিষয়গুলো ভালভাবে শিখে ফেলতে পারলে অবশ্যই অনেক অনেক ভালো অর্জন সম্বব।
আমাদের দেশে ইতোমধ্যে সরকার ফ্রীলান্সিং এ মানুষকে উৎসাহী করতে অনেক বড়সড় কর্মসূচী হাতে নিয়েছে যা অবশ্যই আমাদের জন্য একটি ভালো উদ্যোগ। আমাদেরকে এর ভালোমন্দ বুজে এবং নিজেকে তৈরি করে স্বপ্ন বাস্তবায়নে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
চলবে…


জীবনে সফল ব্যক্তিরা অনেক ভুল করে থাকেন কিন্তু তারা একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করেন না। আমাদের ব্যবসায়িক বা পেশাজীবনের ভুলগুলো আমাদের সামনে চলার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। কর্মজীবনে আমরা অনেকেই নানা ধরনের ভুলের অভিজ্ঞতা অর্জন করে থাকি, যা আসলে জীবনে সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কৌশল আমাদেরকে বাতলে দেয়। পেশাজীবনের এরকম কিছু ভুল থেকে আমরা জীবনে সফল হওয়ার জন্য যে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি দিকনির্দেশনা পেয়ে থাকি YMB তা আপনাদের সামনে তুলে ধরছে।
১) সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ কি মনে করবে তা উপেক্ষা করুন।
সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ গড়পড়তা ও অতিসাধারণ হয়ে থাকেন। জীবনে সফলতার জন্য আপনি যে লক্ষ্যগুলো অর্জনের চেষ্টা করছেন তা তারা কখন অর্জন করেননি বা করতে পারবেন না। তাই এক্ষেত্রে আপনার কোন সাহায্য বা পরামর্শের প্রয়োজন হলে আপনি তাদের কাছ থেকে তা না চেয়ে বরং তাদের কাছে চান যারা তাদের জীবনে সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। আর মনে রাখবেন সফল ব্যক্তিরা সমাজে কখনো সংখ্যাগরিষ্ঠ হন না।
২) পুরাতন পন্থাগুলোকে সব সময় উপেক্ষা করবেন না।
যুবক বা তরুণরা প্রায় সময়ই কোন কিছু বৈপ্লবিক বা ভিন্ন পন্থায় করতে চান; তারা এক্ষেত্রে পুরনো বা প্রথাগত পদ্ধতিকে অকার্যকর বলে মনে করেন। এমন কি পুঁজি বাজারে বিনিয়োগের সময়ও তারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়গুলো নিয়ে যথেষ্ট চিন্তাভাবনা করেন না। এটা কিন্তু একটি মারাত্মক ভুল; কারণ এতে একদিকে যেমন আপনার সমূহ ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে ঠিক অন্যদিকে রয়েছে সময় ও চেষ্টার উভয়ের অপচয়। অথচ এক্ষেত্রে পুরাতন পন্থাগুলো সম্পূর্ণ কার্যকর, যা আপনি নিঃসন্দেহে অনুসরণ করতে পারেন। আপনার ব্যবসায়িক বা পেশাগত জীবনে যদি কোন ভুল হয়ে থাকে, তাহলে আপনি সর্বপ্রথম খেয়াল করবেন যে এসময় আপনি “অতিরিক্ত চতুরতা”র (over smartness) অবলম্বন করেছিলেন কি না।
৩) উচ্চাকাঙ্ক্ষী হওয়া।
উচ্চাকাঙ্ক্ষী হওয়ার অর্থ এই নয় যে আপনাকে বেপরোয়া হতে হবে। এরকম সব সময় মনে করবেন না যে আপনিই সব সময় জিতে যাবেন। কিন্তু জীবনে কিছু পেতে হলে আপনাকে ঝুঁকি নিতেই হবে, পাশাপাশি আপনাকে হতে হবে উচ্চাকাঙ্ক্ষী। দ্রুত পরাজয় স্বীকার করার অর্থ আপনি আপনার জীবনের অনেক জয়কেই অকালে হাত ছাড়া করলেন।
৪) ছোট ছোট অর্জনকে আপনার লক্ষ্য হিসেবে স্থির করুন।
যদি আপনি আপনার লাভের পাল্লাকে অল্প সময়েই খুব ভারী করতে চান তাহলে মনে রাখবেন আপনার ক্ষতির পাল্লাও তখন খুব ভারী হয়ে যেতে পারে। আমরা সাধারণত অল্প সময়ে অনেক বেশি লাভের কামনা করে থাকি। কিন্তু আমরা যদি যেকোনো প্রতিষ্ঠানের উদ্বর্ত-পত্রের (balance sheet) দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পারব যে ওই প্রতিষ্ঠানের আয়ের প্রধান অংশ মূলত আসছে তার ছোট ছোট অর্জন থেকেই। আর তা হচ্ছে এ প্রতিষ্ঠানটির ঐ সকল গ্রাহক/ক্রেতা যারা প্রতিষ্ঠানটির পণ্য বা সেবা বারবার ক্রয় করে থাকেন। এ রকম ছোট ছোট অর্জন হঠাৎ পেয়ে যাওয়া বিশাল অর্জন থেকে অনেক ভালো। তাই আপনি ছোট ছোট অর্জনের দিকেই প্রথমে আপনার লক্ষ্য মনোনিবেশ করুন।
৫) নিজেকে পুরোপুরি নিঃশেষ করে দেবেন না।
কর্মজীবনে বিভিন্ন কাজে আপনাকে বারবার উদ্যোগ নেয়ার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে এরকম পরিস্থিতির যেন সৃষ্টি না হয় যে আপনি আপনার সমস্ত মূলধন বা সম্পদ বিনিয়োগ করে দিলেন অতঃপর কোন অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে আপনাকে তার সব কিছুই হারাতে হলো। মনে রাখবেন আপনার হাতে যে পুঁজি বা সম্পদ রয়েছে তার একটি অংশকে আপনি সব সময় নিরাপদে সঞ্চয় করে রাখবেন, যাতে আপদ-কালীন সময়ে আপনাকে একদম নিঃস্ব না হয়ে যেতে হয়।

দৈনন্দিন জীবনের একটি অত্যাবশ্যক অভ্যাসই হলো দাঁত ব্রাশ। দুবেলা নিয়ম মেনে দাঁত ব্রাশ করা কিন্তু নিঃসন্দেহে একটি ভালো অভ্যাস। আর সকলেরই এই অভ্যাস থাকাটাও একান্ত জরুরী। তবে এই অভ্যাস মানলেও, অনেকেই আছেন যারা এই অভ্যাসের সঠিক নিয়ম অবলম্বনে গাফিলতি করেন। এতে দাঁতের অনেক ক্ষতি হয়। কাজেই ক্ষতি এড়াতে কিংবা দাঁতের সৌন্দর্যের স্বার্থে আগে থেকেই জেনে রাখুন কিভাবে আর কতক্ষণ ব্রাশ করবেন।


এক্ষেত্রে জেনে নিন কিছু টিপস-
• ৪৫ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেল করে ব্রাশ করুন।
• মুখের ভিতরের সব কোণায় ব্রাশ পৌঁছান।
• ব্রাশকে উল্লম্বভাবে ব্যবহার করুন। সোজাসুজিভাবে ব্রাশ করলে আপনার দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে খাদ্যের ছোট ছোট কণা আরও বেশি করে জমে গিয়ে আপনাকে বিপাকে ফেলতে পারে। তাই ওপর-নিচে ব্রাশিং খুব দরকার।

• সময় নিয়ে ব্রাশ করুন। চটজলদি ব্রাশ করার অভ্যাস ত্যাগ করুন। ২৪ ঘণ্টায় অন্তত দু'বার ব্রাশ করুন।
• ব্রাশ করার সময় ব্রাশের নাড়াচাড়া করুন গোল গোল ভাবে। যাকে ডাক্তারি ভাষায় বলা হয় সাইকেলিং প্রসেস।

• ব্রাশ চিবানোর অভ্যাস বর্জন করুন।