Tips Bangladesh

It's Bengali version Popular Tips And Tricks Website

Showing posts with label আজব পৃথিবী. Show all posts
Showing posts with label আজব পৃথিবী. Show all posts

Jan 20, 2018































Sep 30, 2017

সফলতা মানুষের জীবনের খুবই সূক্ষ্ম একটি বিষয়। জীবনে সফলতা অর্জনের জন্য প্রয়োজন ধৈর্য, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও অন্যদের সাথে স্বচ্ছতা। অনুরূপভাবে মানুষের ব্যর্থতার পিছনেও কিছু কারণ থাকে। কিন্তু মোদ্দা কথা হলো সফলতা ও ব্যর্থতা মানুষের জীবনে তাদের দৃষ্টিভঙ্গিগত কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসে। তাই সফল ও ব্যর্থ ব্যক্তিদের চিন্তাধারা ও কথাবার্তা আপনি কখনও এক রকম দেখবেন না। নিম্নে সে পার্থক্যগুলো তুলে ধরা হলো।
১) সফল ব্যক্তি: অন্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাদের সফলতায় তাদের অভিনন্দন জানান।
ব্যর্থ ব্যক্তি: কোন যুক্তি ছাড়াই অন্যদের সমালোচনা করেন।
২) সফল ব্যক্তি: অন্যদের ক্ষমা করতে জানেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: অন্যদের ক্ষমা না করে নিজের মনে অসন্তোষ ধরে রাখেন।
৩) সফল ব্যক্তি: বর্তমান নিয়ে ভাবেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: অতীত নিয়ে চিন্তা করেন।
৪) সফল ব্যক্তি: ভুল হলে তা স্বীকার করে নেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: ভুল হলে অন্যদের উপর দোষ চাপান।
৫) সফল ব্যক্তি: অন্যদের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: গোপনীয়তা বজায় রাখেন।
৬) সফল ব্যক্তি: ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: নেতিবাচক দৃষ্টি ভঙ্গি লালন করেন।
৭) সফল ব্যক্তি: নতুন নতুন চিন্তা, ধারণা নিয়ে আলাপ করেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: অন্যদের সম্পর্কে অপ্রয়োজনীয় কথা বলেন।
৮) সফল ব্যক্তি: নিজের বিজয় ও সাফল্যে অন্যদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: সমস্ত কৃতিত্ব কেবল নিজের বলে দাবি করেন।
৯) সফল ব্যক্তি: পরিবর্তনের জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: পরিবর্তনকে ভয় পান।
১০) সফল ব্যক্তি: সবার সফলতা কামনা করেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: মনে মনে সবার ব্যর্থতা কামনা করেন।
১১) সফল ব্যক্তি: অন্যের ভালো-মন্দ ভেবে দেখেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: কেবল মাত্র নিজের স্বার্থটাই দেখেন।
১২) সফল ব্যক্তি: নিজের লক্ষ্য-উদ্দেশ্যগুলো নির্ধারণ করে নেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: সব সময় লক্ষ্য-উদ্দেশ্যহীন থাকেন।
১৩) সফল ব্যক্তি: নিজে কি চান তা জানেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: নিজে কি চান তা জানেন না।
১৪) সফল ব্যক্তি: সব সময় শিখার মধ্যে থাকেন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: সব কিছুই জানি এমনটি মনে করেন।
১৫) সফল ব্যক্তি: অবসরে বই পড়েন।
ব্যর্থ ব্যক্তি: অবসরে টিভি দেখেন।

জীবনে সফল ব্যক্তিরা অনেক ভুল করে থাকেন কিন্তু তারা একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করেন না। আমাদের ব্যবসায়িক বা পেশাজীবনের ভুলগুলো আমাদের সামনে চলার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। কর্মজীবনে আমরা অনেকেই নানা ধরনের ভুলের অভিজ্ঞতা অর্জন করে থাকি, যা আসলে জীবনে সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কৌশল আমাদেরকে বাতলে দেয়। পেশাজীবনের এরকম কিছু ভুল থেকে আমরা জীবনে সফল হওয়ার জন্য যে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি দিকনির্দেশনা পেয়ে থাকি YMB তা আপনাদের সামনে তুলে ধরছে।
১) সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ কি মনে করবে তা উপেক্ষা করুন।
সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ গড়পড়তা ও অতিসাধারণ হয়ে থাকেন। জীবনে সফলতার জন্য আপনি যে লক্ষ্যগুলো অর্জনের চেষ্টা করছেন তা তারা কখন অর্জন করেননি বা করতে পারবেন না। তাই এক্ষেত্রে আপনার কোন সাহায্য বা পরামর্শের প্রয়োজন হলে আপনি তাদের কাছ থেকে তা না চেয়ে বরং তাদের কাছে চান যারা তাদের জীবনে সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। আর মনে রাখবেন সফল ব্যক্তিরা সমাজে কখনো সংখ্যাগরিষ্ঠ হন না।
২) পুরাতন পন্থাগুলোকে সব সময় উপেক্ষা করবেন না।
যুবক বা তরুণরা প্রায় সময়ই কোন কিছু বৈপ্লবিক বা ভিন্ন পন্থায় করতে চান; তারা এক্ষেত্রে পুরনো বা প্রথাগত পদ্ধতিকে অকার্যকর বলে মনে করেন। এমন কি পুঁজি বাজারে বিনিয়োগের সময়ও তারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়গুলো নিয়ে যথেষ্ট চিন্তাভাবনা করেন না। এটা কিন্তু একটি মারাত্মক ভুল; কারণ এতে একদিকে যেমন আপনার সমূহ ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে ঠিক অন্যদিকে রয়েছে সময় ও চেষ্টার উভয়ের অপচয়। অথচ এক্ষেত্রে পুরাতন পন্থাগুলো সম্পূর্ণ কার্যকর, যা আপনি নিঃসন্দেহে অনুসরণ করতে পারেন। আপনার ব্যবসায়িক বা পেশাগত জীবনে যদি কোন ভুল হয়ে থাকে, তাহলে আপনি সর্বপ্রথম খেয়াল করবেন যে এসময় আপনি “অতিরিক্ত চতুরতা”র (over smartness) অবলম্বন করেছিলেন কি না।
৩) উচ্চাকাঙ্ক্ষী হওয়া।
উচ্চাকাঙ্ক্ষী হওয়ার অর্থ এই নয় যে আপনাকে বেপরোয়া হতে হবে। এরকম সব সময় মনে করবেন না যে আপনিই সব সময় জিতে যাবেন। কিন্তু জীবনে কিছু পেতে হলে আপনাকে ঝুঁকি নিতেই হবে, পাশাপাশি আপনাকে হতে হবে উচ্চাকাঙ্ক্ষী। দ্রুত পরাজয় স্বীকার করার অর্থ আপনি আপনার জীবনের অনেক জয়কেই অকালে হাত ছাড়া করলেন।
৪) ছোট ছোট অর্জনকে আপনার লক্ষ্য হিসেবে স্থির করুন।
যদি আপনি আপনার লাভের পাল্লাকে অল্প সময়েই খুব ভারী করতে চান তাহলে মনে রাখবেন আপনার ক্ষতির পাল্লাও তখন খুব ভারী হয়ে যেতে পারে। আমরা সাধারণত অল্প সময়ে অনেক বেশি লাভের কামনা করে থাকি। কিন্তু আমরা যদি যেকোনো প্রতিষ্ঠানের উদ্বর্ত-পত্রের (balance sheet) দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পারব যে ওই প্রতিষ্ঠানের আয়ের প্রধান অংশ মূলত আসছে তার ছোট ছোট অর্জন থেকেই। আর তা হচ্ছে এ প্রতিষ্ঠানটির ঐ সকল গ্রাহক/ক্রেতা যারা প্রতিষ্ঠানটির পণ্য বা সেবা বারবার ক্রয় করে থাকেন। এ রকম ছোট ছোট অর্জন হঠাৎ পেয়ে যাওয়া বিশাল অর্জন থেকে অনেক ভালো। তাই আপনি ছোট ছোট অর্জনের দিকেই প্রথমে আপনার লক্ষ্য মনোনিবেশ করুন।
৫) নিজেকে পুরোপুরি নিঃশেষ করে দেবেন না।
কর্মজীবনে বিভিন্ন কাজে আপনাকে বারবার উদ্যোগ নেয়ার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে এরকম পরিস্থিতির যেন সৃষ্টি না হয় যে আপনি আপনার সমস্ত মূলধন বা সম্পদ বিনিয়োগ করে দিলেন অতঃপর কোন অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে আপনাকে তার সব কিছুই হারাতে হলো। মনে রাখবেন আপনার হাতে যে পুঁজি বা সম্পদ রয়েছে তার একটি অংশকে আপনি সব সময় নিরাপদে সঞ্চয় করে রাখবেন, যাতে আপদ-কালীন সময়ে আপনাকে একদম নিঃস্ব না হয়ে যেতে হয়।

দৈনন্দিন জীবনের একটি অত্যাবশ্যক অভ্যাসই হলো দাঁত ব্রাশ। দুবেলা নিয়ম মেনে দাঁত ব্রাশ করা কিন্তু নিঃসন্দেহে একটি ভালো অভ্যাস। আর সকলেরই এই অভ্যাস থাকাটাও একান্ত জরুরী। তবে এই অভ্যাস মানলেও, অনেকেই আছেন যারা এই অভ্যাসের সঠিক নিয়ম অবলম্বনে গাফিলতি করেন। এতে দাঁতের অনেক ক্ষতি হয়। কাজেই ক্ষতি এড়াতে কিংবা দাঁতের সৌন্দর্যের স্বার্থে আগে থেকেই জেনে রাখুন কিভাবে আর কতক্ষণ ব্রাশ করবেন।


এক্ষেত্রে জেনে নিন কিছু টিপস-
• ৪৫ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেল করে ব্রাশ করুন।
• মুখের ভিতরের সব কোণায় ব্রাশ পৌঁছান।
• ব্রাশকে উল্লম্বভাবে ব্যবহার করুন। সোজাসুজিভাবে ব্রাশ করলে আপনার দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে খাদ্যের ছোট ছোট কণা আরও বেশি করে জমে গিয়ে আপনাকে বিপাকে ফেলতে পারে। তাই ওপর-নিচে ব্রাশিং খুব দরকার।

• সময় নিয়ে ব্রাশ করুন। চটজলদি ব্রাশ করার অভ্যাস ত্যাগ করুন। ২৪ ঘণ্টায় অন্তত দু'বার ব্রাশ করুন।
• ব্রাশ করার সময় ব্রাশের নাড়াচাড়া করুন গোল গোল ভাবে। যাকে ডাক্তারি ভাষায় বলা হয় সাইকেলিং প্রসেস।

• ব্রাশ চিবানোর অভ্যাস বর্জন করুন।