Tips Bangladesh

It's Bengali version Popular Tips And Tricks Website

Showing posts with label Health Tips Bangla. Show all posts
Showing posts with label Health Tips Bangla. Show all posts

Jan 20, 2018































Sep 30, 2017

দৈনন্দিন জীবনের একটি অত্যাবশ্যক অভ্যাসই হলো দাঁত ব্রাশ। দুবেলা নিয়ম মেনে দাঁত ব্রাশ করা কিন্তু নিঃসন্দেহে একটি ভালো অভ্যাস। আর সকলেরই এই অভ্যাস থাকাটাও একান্ত জরুরী। তবে এই অভ্যাস মানলেও, অনেকেই আছেন যারা এই অভ্যাসের সঠিক নিয়ম অবলম্বনে গাফিলতি করেন। এতে দাঁতের অনেক ক্ষতি হয়। কাজেই ক্ষতি এড়াতে কিংবা দাঁতের সৌন্দর্যের স্বার্থে আগে থেকেই জেনে রাখুন কিভাবে আর কতক্ষণ ব্রাশ করবেন।


এক্ষেত্রে জেনে নিন কিছু টিপস-
• ৪৫ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেল করে ব্রাশ করুন।
• মুখের ভিতরের সব কোণায় ব্রাশ পৌঁছান।
• ব্রাশকে উল্লম্বভাবে ব্যবহার করুন। সোজাসুজিভাবে ব্রাশ করলে আপনার দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে খাদ্যের ছোট ছোট কণা আরও বেশি করে জমে গিয়ে আপনাকে বিপাকে ফেলতে পারে। তাই ওপর-নিচে ব্রাশিং খুব দরকার।

• সময় নিয়ে ব্রাশ করুন। চটজলদি ব্রাশ করার অভ্যাস ত্যাগ করুন। ২৪ ঘণ্টায় অন্তত দু'বার ব্রাশ করুন।
• ব্রাশ করার সময় ব্রাশের নাড়াচাড়া করুন গোল গোল ভাবে। যাকে ডাক্তারি ভাষায় বলা হয় সাইকেলিং প্রসেস।

• ব্রাশ চিবানোর অভ্যাস বর্জন করুন।
কলার খোসা সত্যিকার অর্থেই দারুণভাবে আপনার দাঁত সাদা করতে সক্ষম। তবে হ্যাঁ, কাজটা করতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে। কলার খোসায় আছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান। বিশেষ করে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম আর ম্যাঙ্গানিজ। আর এরাই হচ্ছে দাঁতকে সাদা করে তুলবার প্রধান হাতিয়ার। এছাড়াও কলার খোসায় আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি, যারা কিনা দাঁতকে মজবুত করে তোলার পাশাপাশি খনিজ উপাদান গুলো শোষণ করতেও সহায়তা করে। কলার খোসা নিঃসন্দেহে সাদা করে তুলবে আপনার দাঁত, তবে ব্যবহার করতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে। এবং অবশ্যই নিয়ম মেনে।
চলুন জেনে নেই কিভাবে ব্যবহার করবেন কলার খোসা।





♦ দাঁত সাদা করার জন্য ঠিক ভাবে পাকা কলা হওয়া জরুরি। খুব বেশি পাকাও নয়, খুব বেশি কাঁচাও নয়। এমন কলা বেছে নিন যারা কিনা এখন নিচের দিকে একটু একটু সবুজ। কেননা এই ধরনের কলায় পটাশিয়াম থাকে উচ্চ মাত্রায়। আর এই পটাশিয়ামই দাঁত সাদা করার দায়িত্ব নেবে।

♦ কলা উল্টো করে ছিলে নিন। হ্যাঁ, যেভাবে আপনি ছিলে থাকেন কলা ঠিক তার উলটো দিক থেকে ছিলে নিন। দেখবেন যে কলার গায়ে লম্বা লম্বা সুতার মতন আঁশ থাকে। উল্টো করে ছিলে নিয়ে এই আঁশ গুলো থাকবে খোসার সাথেই।

♦ খোসা থেকে চারকোনা করে দুটি টুকরো কেটে নিন। আপনার সুবিধা মতন আকারেই কেটে নিন। চাইলে এই কাটা খোসা ফ্রিজেও সংরক্ষণ করতে পারেন।

♦ এবার সকালে দাঁত ব্রাশ করবার পূর্বে এই কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে আপনার দাঁত খুব ভাল করে ঘষুন। প্রথম টুকরোটি দিয়ে পুরো এক মিনিট ঘষুন। তারপর সেটা বদলে দ্বিতীয় টুকরোটি দিয়ে আরও এক মিনিট। অর্থাৎ পুরো দুই মিনিট দাঁতকে ঘষুন। দাঁতের প্রত্যেকটি অংশে যেন পৌঁছায় এমন ভাবে ঘষতে হবে।

♦ দাঁত ঘষা হলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট করতে পারলে ভালো। এই সময়ে পানি বা অন্য কিছু খাবেন না, কিংবা কুলি করবেন না। সময়টা পেরিয়ে গেলে আপনার নিয়মিত ব্যবহারের টুথ পেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে নিন।

৪/৫ দিন নিয়ম মেনে পরিষ্কার করলেই দেখবেন আগের চাইতে অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে আপনার দাঁত। হলদে ভাব যেমন কমে গেছে, তেমনি কালো ছোপটাও অনেকটাই সরে গেছে। যারা ধূমপান বা মদ্যপান করেন, তাদের ক্ষেত্রেও কাজ করবে এই পদ্ধতি। তবে ব্যবহার করতে হবে বেশ দীর্ঘদিন। 
প্রশ্ন: শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় কি জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খাওয়া যাবে?
উত্তর: জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খেলে বুকের দুধের পরিমাণ কমে যেতে পারে, এ ছাড়া শিশুর ওপর অন্য কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। তাই প্রথম ছয় মাস যখন শুধু বুকের দুধ খাওয়াতে বলা হয়, সে সময় বড়ি না খেয়ে অন্য কোনো পদ্ধতি, যেমন কনডম ব্যবহার করা যায়। ছয় মাস পর যখন অন্য খাবার শিশুকে দেওয়া হবে, তখন বড়ি শুরু করতে পারেন। তার পরও প্রথম থেকেই কেবল প্রজেস্টেরন আছে এমন মিনিপিল খেতে কোনো বাধা নেই।
প্রশ্ন: শিশুদের প্যারাসিটামল মুখে খাবার সিরাপ ও পায়ুপথে ব্যবহারের সাপোজিটরির মধ্যে কার্যকারিতার পার্থক্য আছে কি?
উত্তর: নেই। দুটোই একই উপাদান, অর্থাৎ এসিটামিনোফেন দিয়ে তৈরি। কেবল দেহে প্রবেশের পথটি আলাদা। অনেকের ধারণা, সাপোজিটরি সিরাপের চেয়ে বেশি কার্যকর। জ্বর বেশি হলে সিরাপ না দিয়ে সাপোজিটরি দেওয়া উচিত। কিন্তু আসলে কার্যকারিতা বা নিরাপত্তার দিক দিয়ে সিরাপ বা সাপোজিটরি একই ধরনের। তবে কোনো শিশু যদি বারবার বমি করে ওষুধ ফেলে দেয় বা গিলতে না পারে, সে ক্ষেত্রে মুখে খাবার সিরাপের বদলে সাপোজিটরি ব্যবহারই শ্রেয়।